খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

যমুনায় সরকারি ওষুধ ফেলার ঘটনায় ঘাটাইল হাসপাতালে দুদকের তদন্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যমুনায় সরকারি ওষুধ ফেলার ঘটনায় ঘাটাইল হাসপাতালে দুদকের তদন্ত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্রাকভর্তি সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক ও জব্দের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ঘটনার প্রায় এক মাস পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও জব্দ করা ওষুধ পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি।

সোমবার সকাল থেকে দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন কার্যালয়, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘাটাইল থানায় পর্যায়ক্রমে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন, আবাসিক কক্ষ ও টয়লেটের মেঝেতে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ অগোছালো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তদন্ত দল। এসব ওষুধের মধ্যে কতগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ এবং কতগুলো ব্যবহারযোগ্য, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট তথ্য বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখাতে পারেনি বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম বলেন, কমিশনের নির্দেশে অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতি, অনিয়ম, আলামত নষ্ট এবং ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত জব্দ করা ওষুধের বস্তার সঙ্গে ঘাটাইল থানায় জব্দ দেখানো ওষুধের বস্তার মধ্যে ব্যাপক গড়মিল পাওয়া গেছে। থানায় তুলনামূলক কম পরিমাণ ওষুধের বস্তা জব্দ দেখানো হয়েছে। হাসপাতালে থাকা ওষুধ এখনো শ্রেণিবিন্যাস করে সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্তকারীদের কাছে ওষুধের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ডপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তিনটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে। তবে ঘটনার প্রায় এক মাস পার হলেও এসব কমিটির কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

সরকারি সম্পদ আত্মসাতের বিষয়টি আড়াল করতে ঘটনাটিকে চুরির মামলা হিসেবে দেখিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওষুধের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না করা এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে থাকা ওষুধের মজুত, চাহিদা ও বিতরণের সুনির্দিষ্ট হিসাব না থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি বাইরের ওষুধ কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে কমিশনের কাছে সুপারিশ করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম, উপসহকারী পরিচালক তারেক মিয়া ও উপসহকারী পরিচালক বাছেদ আলী অংশ নেন।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

এর আগে গত ২৬ আগস্ট রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ট্রাকভর্তি অন্তত ৫০ বস্তা সরকারি ওষুধ পার্শ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীতে ফেলার সময় স্থানীয়রা তা আটক করেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পিকআপসহ ওষুধগুলো জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় একটি চুরির মামলা করা হয়।

মামলায় ট্রাকচালক আজমতকে আটক দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ঘটনার পর গত ২৯ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মুহাম্মদ সোহেলকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ফরহাদ হোসেনকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়।

তবে ঘাটাইল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর কবির সুমন বলেন, দুদকের তদন্তের বিষয়ে তারা এখনো কোনো কাগজপত্র পাননি। হাসপাতাল সম্পর্কে করা অভিযোগগুলো পুরোপুরি সত্য নয়।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 


চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।